মানুষের চিন্তাজগতে বিজ্ঞানের প্রভাব ক্রমশ বেড়ে চলেছে।আর এর সাথে সাথে বিজ্ঞানের অগ্রগতি মানুষের চিন্তাধারার পরিবর্তনকে তরান্বিত করছে।এক্ষেত্রে বিজ্ঞানের সাথে ধর্মের বিরোধটা খুবই প্রত্যাশিত।কারণ, বিশ্বাস হচ্ছে ধর্মের দার্শনিক ভিত্তি ।ধর্মের সকল বিষয় এই বিশ্বাসকে ঘিরেই আবর্তিত হয়।আর বিজ্ঞানের দার্শনিক ভিত্তি হচ্ছে অবিশ্বাস।সংশয় পোষণ করাই এর মূল কথা।তাছাড়া সার্বিক ভাব-চিন্তার প্রেক্ষিতে বিশ্বাসের সাথে সংশয় একদম যায় না।আর উভয়টিই মনোজাগতিক ব্যাপার।সুতরাং মুক্তবুদ্ধি চর্চার ক্ষেত্রে আপনাকে,আমাকে যেকোন একটিই গ্রহণ করতে হবে।কেননা জগতের জ্ঞানতাত্ত্বিক লড়াইয়ে ঠিকে থাকতে হলে;আপনি,আমি কোন পক্ষের লোক সেটা স্পষ্ট করা খুবই জরুরি।১২/১০/২০১৭ইং
Translate
Monday, 3 December 2018
মুক্তবুদ্ধি
Subscribe to:
Posts (Atom)
বিবিধ অভাব : লিওনার্দো লালন লাঁকা
‘চিত্রকলা, দর্শন, সংগীত, ভাষা, গ্রন্থপাঠ ও মঞ্চনাটক নিয়ে মোট ১৬টি প্রবন্ধের এক অনবদ্য সংকলন এটি। প্রত্যেক লেখাতেই পাঠক নতুন ভাবনার মুখোমুখি...
-
‘চিত্রকলা, দর্শন, সংগীত, ভাষা, গ্রন্থপাঠ ও মঞ্চনাটক নিয়ে মোট ১৬টি প্রবন্ধের এক অনবদ্য সংকলন এটি। প্রত্যেক লেখাতেই পাঠক নতুন ভাবনার মুখোমুখি...
-
কিছুদিন আগে মেহেদী উল্লাহর একটা লেখা পড়েছিলাম সমকালের কালের খেয়ায়। ‘ফলিত স্বপ্নের বাসনা’ নামে। তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘গোসলের পুকুরসমূহ’ লেখা...